1. akhi@janatarjagoron.com : আখি আক্তার : আখি আক্তার
  2. foreign@janatarjagoron.com : আন্তর্জাতিক ডেস্ক : আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  3. mosharaf.bbadcc@gmail.com : বিনোদন ডেস্ক : বিনোদন ডেস্ক
  4. jonotarjagoron@gmail.com : Editor :
  5. labony@janatarjagoron.com : ক্যাম্পাস প্রতিনিধি : ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
  6. life@janatarjagorn.com : লাইফস্টাইল ডেস্ক : লাইফস্টাইল ডেস্ক
  7. onlinedesk2@janatarjagoron.com : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  8. sohag@janatarjagoron.com : Khan Saiful Sohag : Khan Saiful Sohag
  9. info2@janatarjagoron.com : উপজেলা প্রতিনিধি : উপজেলা প্রতিনিধি
  10. mosharafrobindev@gmail.com : জেলা প্রতিনিধি : জেলা প্রতিনিধি
রিজার্ভে হাত নাড়াইনি, ১৮ হাজার কোটি টাকার ঋণ চুকাল বাংলাদেশ! - Janatar Jagoron
  • E-paper
  • English Version
  • বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০১:১৭ অপরাহ্ন

শিরোনাম
তারেক রহমানের নলিয়ান সফরের পর নৌপথে মোংলার উদ্দেশে যাত্রা জামালপুরে ইউনিয়ন মাল্টি-স্টেকহোল্ডার প্লাটফর্মের পুষ্টি কর্মপরিকল্পনা মূল্যায়ন স্থানীয় সরকার নির্বাচন পাঁচ ধাপে চায় বিএনপি ক্যাডেট এএসআই নিয়োগে ভুয়া পরীক্ষার্থীসহ চারজন গ্রেপ্তার জামালপুর সদর উপজেলা বিএনপির যৌথসভা অনুষ্ঠিত ইরানি সেনাবাহিনীর কঠোর জবাবের অঙ্গীকার, চুক্তিতে নতুন শর্ত সাহাবুদ্দিন চুপ্পুসহ ২০ জনের বিরুদ্ধে ২৫১ কোটি টাকার শেয়ার মামলা বিএনপি নিয়ে জামায়াতের মন্তব্যে মির্জা ফখরুলের প্রতিক্রিয়া সাহাবুদ্দিনকে গ্রেপ্তারের দাবি জানাল এনসিপি রাষ্ট্রপতি অবসর সুবিধা কী পাবেন মো. সাহাবুদ্দিন

রিজার্ভে হাত নাড়াইনি, ১৮ হাজার কোটি টাকার ঋণ চুকাল বাংলাদেশ!

  • সর্বশেষ আপডেট: রবিবার, ২০ অক্টোবর, ২০২৪
  • ৩০২ বার পঠিত
ঋণ

বাংলাদেশ ব্যাংক রিজার্ভে কোনো অর্থ ব্যবহার না করেই গত দুই মাসে দেড় বিলিয়ন ডলার (১১৯ টাকা হিসেবে ১৭ হাজার ৮৭০ কোটি টাকা) দেনা পরিশোধ করেছে। ফলে পণ্য আমদানির অনিশ্চয়তা কমতে শুরু করেছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর।

তিনি সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, ডিসেম্বরের মধ্যে সকল দায় মেটানো শেষে দেশের অর্থনীতি আবারও ইতিবাচক পথে ফিরবে। তিনি বিনিয়োগ এবং প্রবৃদ্ধি নিয়ে চিন্তা না করার পরামর্শ দিয়ে ধৈর্য ধরার কথা বলেন।

ড. আহসান এইচ মনসুর বলেন, জ্বালানি তেল, গ্যাস, কয়লা এবং অন্যান্য পেট্রোলিয়াম পণ্যের প্রায় পুরো আমদানি করতে হয় বিভিন্ন উৎস থেকে। যার জন্য গত অর্থবছরে ব্যয় হয় প্রায় ৯ বিলিয়ন ডলার। এছাড়া, বিদ্যুৎ ও সারের ক্ষেত্রে নির্ভরতা ক্রমাগত বাড়ছে। তবে, গত দুই বছরে ডলার সংকট শুরু হলে সেই ব্যয় যথাসময়ে পরিশোধ করা সম্ভব হয়নি।

তিনি আরও বলেন, এই পরিস্থিতিতে আদানি, কাফকো, শেভরন ও বিপিসি-এর মতো বেশ কিছু বিদেশি প্রতিষ্ঠানের কাছে সোয়া দুই বিলিয়ন ডলারেরও বেশি বকেয়া পড়ে যায়। তবে গত দুই মাসে রিজার্ভে হাত না দিয়েই কেন্দ্রীয় ব্যাংক সেই বকেয়ার দেড় বিলিয়ন ডলার পরিশোধ করেছে। বাকি অংশও দুই মাসের মধ্যে মিটিয়ে দেওয়ার আশা রয়েছে গভর্নরের।

বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর বলেন, সরকারের কাছে ২.৫ বিলিয়নের মতো অনাদায়ী এবং অনিষ্পন্ন দায় ছিল। সেটিকে ৭০০ মিলিয়নে নিয়ে আসা সম্ভব হয়েছে। সারের জন্য ব্যাপক টাকা এবং বিদ্যুতের জন্যও অর্থ দেওয়া হয়েছে, আদানি ও শেভরনকেও দেওয়া হয়েছে। সবার দেনা কিছুটা কমিয়ে আনা সম্ভব হয়েছে। আমাদের লক্ষ্য, আগামী দুই মাসের মধ্যে দেনা পুরোপুরি শূন্যে নামিয়ে আনা। তখন বাজারে লিকুইডিটা আরও বাড়বে।

তিনি জানান, এসব বকেয়া পরিশোধের পর আর্থিক ব্যবস্থাপনায় চাপ কমবে। যা সার্বিক কর্মকাণ্ডে গতি আনবে। একই সঙ্গে, বিভিন্ন সংস্থার কাছ থেকে প্রায় ১০ বিলিয়ন ডলার ঋণ সংগ্রহের প্রস্তুতি চলছে।

তবে, বর্তমানে ১০৩ বিলিয়নের বিদেশি ঋণ ও পরিশোধের ধারাবাহিক বাড়তি চাপ নিয়ে গভর্নর কিছুটা চিন্তিত। তিনি বলেন, পরিস্থিতি সামাল দিতে অন্তত এক বছর ধৈর্য ধরতে হবে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আরও বলেন, যদি আমি আইএমএফ থেকে ২-৩ বিলিয়ন অতিরিক্ত পাই, এর সঙ্গে বিশ্বব্যাংকের আরও ২ বিলিয়ন পাই, তবে এই ৫ বিলিয়ন নিয়ে দুটো বিষয় করতে হবে। সরকার কিছু ব্যয় বাড়াতে পারবে, ফলে অর্থনৈতিক কার্যক্রম কিছুটা গতিশীল হবে। এখনই লম্প-ঝম্প করলে হবে না যে বিনিয়োগ নেই। বর্তমানে বিনিয়োগ কম হবে, এটাই বাস্তবতা। বিশ্বব্যাংক বলছে আমাদের প্রবৃদ্ধি হয়ত ৪ শতাংশে নেমে আসবে। হতে পারে, আমিও মনে করি ৪-৫ শতাংশের মধ্যে হতে পারে। যাক, তাও তো এক বছরই।

পোস্টটি শেয়ার করুন

এই বিভাগে আরও খবর..